দুলাভাইকে বিয়ের পর…

বাবার দুই স্ত্রী। এক পক্ষের মেয়ের স্বামীর সঙ্গে বিয়ে করে আরেক পক্ষের মেয়ে। এতে পরিবারের সম্মতি ছিল না। তবে বেশি ক্ষুব্ধ ছিল সৎ মা। অবশেষে কৌশলে বাড়ি ডেকে সেই মেয়েকে এবার শাস্তি দিল পরিবার। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের মালদহের ইংরেজবাজার শহরের কৃষ্ণপল্লি এলাকায়। ঘটনায় অসুস্থ অবস্থায় ওই তরুণী প্রিয়াঙ্কা সিংহকে ভর্তি করা হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ওই দিনই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর অভিযুক্ত সৎ মা বিশাখা করকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজবাজার শহরের কৃষ্ণপল্লি এলাকার বাপুজি কলোনি বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা। তাঁর বাবা রতন কর পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর দুই স্ত্রী রয়েছেন এবং তাঁরা এক বাড়িতেই থাকেন। তাঁদের তিন ছেলে–মেয়ে রয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইংরেজবাজারের যদুপুর গ্রামের বাসিন্দা স্বপন সিংহের সঙ্গে বিয়ে হয় রতনের বড় মেয়ের। তাঁদের দুই ছেলেমেয়ে রয়েছে। অভিযোগ, পারিবারিক কারণে স্বপন প্রথম পক্ষের স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। তার পরেই স্বপন বছর খানেক আগে বিয়ে করেন প্রিয়াঙ্কাকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পারিবারিক বিবাদ হয়। এমনকি, ওই তরুণীর সঙ্গে পরিবারের লোকেরা যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে দাবি।

পুলিশ জেনেছে, ওই দিন বিকালে ওই তরুণী কৃষ্ণপল্লি এলাকায় ঘুরতে যান। অভিযোগ, সেই সময়ে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে সৎ মা বিশাখাদেবী ও বাবা রতন তাঁকে বাড়িতে ডাকেন। তার পরেই কাঁচি দিয়ে তাঁর চুলের একাংশ কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে হইচই পড়ে যায় এলাকা জুড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ায় তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় সৎ মা বিশাখাদেবীকেও। তবে আর এক অভিযুক্ত রতন অবশ্য এখনও ফেরার বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘‘বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পরই আমি বিয়ে করেছি। আমার সৎ মা বিয়েতে রাজি ছিল না। তাই বিয়ের পর থেকে আমাকে বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হত না। এদিন টাকা দেওয়ার নাম করে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। তার পরেই আমার মাথার চুলের একাংশ কেটে দেওয়া হয়। আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।’’

আটক বিশাখাদেবী বলেন, ‘‘আমার স্বামীর দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান প্রিয়াঙ্কা। বোনের বিবাহবিচ্ছেদের পরে দুলাভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে করে সে। আমরা ওই বিয়েতে রাজি ছিলাম না। তাই এখন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের ফাঁসানো হয়েছে।’’ সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা



চেয়ারম্যান ও প্রধান সম্পাদক : মনির চৌধুরী, সম্পাদক: মো: মোফাজ্জল হোসেন, সহকারী সম্পাদক : মোঃ শফিকুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালকঃ সৈয়দ ওমর ফারুক, নির্বাহী সম্পাদক: ঝরনা চৌধুরী।

সম্পাদকীয় কার্যালয়: ১২ পুরানাপল্টন,(এল মল্লিক কমপ্লেক্স ৬ষ্ট তলা)মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
ফোন বার্তা বিভাগ: ০২-৯৫৫৪২৩৭,০১৭৭৯-৫২৫৩৩২,বিজ্ঞাপন:০১৮৪০-৯২২৯০১
বিভাগীয় কার্যালয়ঃ যশোর (তিন খাম্বার মোড়) ধর্মতলা, যশোর। মোবাইল: ০১৭৫৯-৫০০০১৫
Email : news24mohona@gmail.com, editormsangbad@gmail.com
© 2016 allrights reserved to MohonaSangbad24.Com | Desing & Development BY PopularITLtd.Com, Server Manneged BY PopularServer.Com